সারহুল উৎসব ২০২৪

…গড়লাগি
জোহার…
“হামনিকের সংস্কৃতি হামনিকের পরিচয়”এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশে “প্রথম সারহুল উৎসব ২০২৪” উদযাপন করা হয়।
“হামনিকের সংস্কৃতি হামনিকের পরিচয়”এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশে বাংলাদেশে প্রথম “সারহুল উৎসব ২০২৪” বাংলাদেশ ওরাওঁ কালচার ফোরাম (ওরাওঁ বিডি) আয়োজন করে। দিনটি ছিল ১০ এই মে ২০২৪ রোজ শুক্রবার। স্থানটি ছিল জারুল্লাপুর গ্রামে নিয়ামতপুর,নওগাঁ।সকাল থেকে দূর দূরান্ত থেকে অতিথি বিন্দুর উপস্থিত শুরু হয়। এই দিনটিতে আদিবাসী ওরাওঁ এলাকাবাসী ঐদিন তাদের সারহুল উৎসবকে কেন্দ্র করে যথারিত নিয়ম অনুযায়ী তারা অনেকেই একদিন আগে উপবাস থাকেন এবং ঐদিন চাষবাদ বন্ধ রাখেন প্রকৃতিকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তরুণ তরুণীরা শাল গাছ এবং শাল ফুল সংগ্রহ করেন। কারণ শাল গাছ এবং শাল ফুলকে কেন্দ্র করে সারুল উৎসব উদযাপন হয়। এছাড়াও আদিবাসী খাবার ও ব্যবহার সমগ্র সংগ্রহ করেন এবং স্টল প্রদর্শনী আয়োজন করেন। জারুল্লাপুর আদিবাসী ওরাওঁ সার্বিক সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন।
সকাল দশটায় অনুষ্ঠানটি শুরু হয় দিন বাপের উদ্দেশ্যে। কমিটির সাংস্কৃতিক সম্পাদক: উর্মিলার দল ও জারুল্লাপুরবাসি নাচে গানে মাতোয়ারা হয়ে অনুষ্ঠানটি প্রথম অধিবেশন শুরু করেন। উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ওরাওঁ কালচার ফার্মের সভাপতি: রনি কান্ত তির্কী, সি সি ভি ও অতিথিবৃন্দ ও আদিবাসী নেত্রী: বিশদ মনি টপ্পো। উদ্বোধন পরে মাদলের তালে বাঁশির সুরে সারহুল পুজা নিয়ম নীতি অনুযায়ী শাল গাছ রোপন ও শাল ফুলের মাধ্যমে পূজা রচনা করা হয়।
মধ্যাহ্ন ভোজের পরে দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হয়। বিভিন্ন বক্তা বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ওরাওঁ কালচার ফোরামের সভাপতি: রনি কান্ত তির্কী প্রথম বক্তব্য রাখেন এছাড়াও আরো বক্তব্য রাখেন। আদিবাসী নেত্রী: বিশদ মনি টপ্পো, সার্বিক সহযোগিতায় সি সি বি ও অতিথিবৃন্দ এছাড়াও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ওরাওঁ কালচার ফোরামের সহ-সভাপতি:স্বপন টপ্পো সাধারণ সম্পাদক: রিপন তির্কী সাংগঠনিক সম্পাদক: মানিক এক্কা (বক্তব্য ও উপস্থাপন) ভাষা ও শিক্ষা সম্পাদক: কাঞ্চন সিং ওরাওঁ, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক:গোবিন্দ কুজুর, কোষাধক্ষ্য: দিপন বাড়োয়ার, সাংস্কৃতিক সম্পাদক: সুবাস তির্কী, সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক: উজ্জল এক্কা,হেমন্ত টপ্পো প্রমোখ।
বক্তব্য প্রদানের পরে কনসার্ট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয় সাংস্কৃতিক সম্পাদক: উজ্জ্বল এক্কার গানে গানে হামনিকের সংস্কৃতি হামনিকের পরিচয়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে আগত আমাদের সংস্কৃতিতে নিত্য ও গান পরিবেশন করা হয় রাত দশটা পর্যন্ত তারপরে গোবিন্দ কজুরের সমাপনী বক্তব্য মাধ্যমে সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটি সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়।